× প্রচ্ছদ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন ফিচার প্রবাস সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস, কার্যকর হচ্ছে কাল

ন্যাশনাল ট্রিবিউন রিপোর্ট

৩০ জুন ২০২৬, ২৩:৫৩ পিএম । আপডেটঃ ০১ জুলাই ২০২৬, ০১:৪২ এএম

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাসের পর সংসদ নেতা ও অর্থমন্ত্রীসহ অন্যান্য সংসদ সদস্যদের হাত উঁচু করে আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা যায়। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল জাতীয় বাজেট। দেশের নতুন অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হতে যাওয়া এই বাজেটটি চলতি বছরের সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে কণ্ঠভোটে বাংলাদেশের ৫৫তম এই বাজেটটি পাস হয়। 

গত ১১ জুন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই বাজেট প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করার পর টানা তিন সপ্তাহ ধরে এর ওপর নিবিড় আলোচনা ও বিতর্ক চলে। সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, "সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন মতামত, গঠনমূলক সমালোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে জনস্বার্থে বাজেটে বেশ কয়েকটি নীতিগত পরিবর্তন আনা হয়েছে।"

গতকাল সোমবার অর্থবিল-২০২৬ পাসের মাধ্যমে করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি ও বিতর্কিত জমি-ফ্ল্যাট নিবন্ধন বিধিসহ মোট ৬৮টি সংশোধনী কার্যকর করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো সাধারণ করদাতাদের স্বস্তি দিয়ে করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করা এবং জমি বা ফ্ল্যাট নিবন্ধনের প্রস্তাবিত বিতর্কিত বিধানটি পুরোপুরি প্রত্যাহার করা। এছাড়া তিনটি বিশেষ খাতে প্রস্তাবিত নতুন ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত থেকেও শেষ মুহূর্তে সরে এসেছে সরকার।

আজকের অধিবেশনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উত্থাপিত ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা এসব দাবির বিপরীতে মোট ১ হাজার ৩৪২টি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করলেও কণ্ঠভোটে তা নাকচ হয়ে যায়। এরপর সুনির্দিষ্টকরণ বিল-২০২৬ পাসের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বাজেট অনুমোদন দেয় সংসদ।

পাস হওয়া এই বাজেটের আকার বিগত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটের (৮ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা) চেয়ে ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। বিশাল এই ব্যয়ের বিপরীতে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আদায় করবে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা।

সার্বিক বাজেটে ঘাটতি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করাই এই বাজেটের প্রধান চ্যালেঞ্জ ও লক্ষ্য বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।

National Tribune

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. আলী হোসেন

যোগাযোগ: +880244809006 ,01922575574

ই-মেইল: [email protected]

ঠিকানা: ২২০/১ (৫ম তলা), বেগম রোকেয়া সরণি, তালতলা, আগারগাঁও, পশ্চিম কাফরুল, ঢাকা-১২০৭

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2026 National Tribune All Rights Reserved.